দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দুই সংগঠন। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন সাফওয়ান (২১), শিফাত (২৭), আল আমিন (২৫), হেলাল (২৬), রবিউল (২৩), মনিরুল ইসলাম (২৬), হাফিজ (২৩), আব্দুল্লাহ আল বাকি (২৪), হৃদয় (২৩) ও তরিকুল ইসলাম (২৪)।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম আজমাইন অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ছাত্রদল শান্তিপূর্ণ সমাবেশের আয়োজন করেছিল। এ সময় শিবির বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় ছাত্রদলের ১০ থেকে ১১ জন নেতাকর্মী আহত হন।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর রহমান সিফাতও অভিযোগ করেন, বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে মিছিল করায় শিবিরকে নিষেধ করলে তারা হামলা চালায়।
অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রশিবিরের কর্মী পরিচয় দেওয়া মো. আল আমিন দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে তাদের একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল চলাকালে ছাত্রদল হামলা চালায়। পরে প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় প্রক্টরের সামনেও দ্বিতীয় দফা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিবিরের ৯ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন।
বহিরাগতদের উপস্থিতির অভিযোগ প্রসঙ্গে আল আমিন বলেন, ক্যাম্পাসসংলগ্ন এলাকায় থাকা কয়েকজন সমর্থক মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন। তাদেরও মারধরের চেষ্টা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদি হাসান সোহাগ বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে শিক্ষকসহ প্রশাসনের সদস্যরাও আহত হয়েছেন।
বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার বেলাল হোসাইন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
এমএস/